Search
Tuesday 24 October 2017
  • :
  • :
English Version

আলোচনায় আবারো আশরাফ

আলোচনায় আবারো আশরাফ

Sharing is caring!

বিশেষ প্রতিনিধি:

আওয়ামী লীগের কাউন্সিল ঘিরে এবারও মূল আলোচনার বিষয় সাধারণ সম্পাদক পদ। ঘুরে ফিরে গুঞ্জন, সৈয়দ আশরাফুল ইসলামই হতে যাচ্ছেন আওয়ামী লীগের পরবর্তী সাধারণ সম্পাদক।

সৈয়দ আশরাফ যদি এবারও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন তাহলে তিনি হ্যাটট্রিক করবেন। সাধারণ সম্পাদকের দৌড়ে আরো অনেকেই মাঠে নামলেও দলীয় সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এখনো সৈয়দ আশরাফকেই সাধারণ সম্পাদক হিসেবে চান।

আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর এক ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, সৈয়দ আশরাফকে নিয়ে দলের শীর্ষ পর্যায়ে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা থাকলেও তিনি দলীয় সভানেত্রীর বিশ্বস্ত বলে মনে করেন শেখ হাসিনা। তিনি গত ১০ বছরে দল এবং শেখ হাসিনার দু:সময়ে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন।

শেখ হাসিনা মনে করেন, জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে আশরাফের ইমেজ অন্য যে কোনো নেতার চেয়ে ভালো। তাছাড়া  সৈয়দ আশরাফ শতভাগই দলীয় সভানেত্রীর অনুগত। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় কোনো প্রকারের আপোষ করবেন না এই নেতা। এসব কারণেই শেখ হাসিনা তৃতীয় বারের মতো আশরাফকেই সাধারণ সম্পাদক করতে পারেন বলে দলীয় সূত্রের দাবি।

উল্লেখ্য, ১/১১-এর পটপরিবর্তনের সময় আওয়ামী লীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল গ্রেফতার হওয়ার পর তৎকালীন যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম দলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। সেই সময় আওয়ামী লীগের অনেক সিনিয়র নেতারা সংস্কার পন্থীর খাতায় নাম লিখিয়েছিলেন এবং হাসিনাকে মাইনাস করার পক্ষে ফর্মূলাও দিয়েছিলেন। কিন্তু ভারপ্রাপ্ত সভাপতি প্রয়াত জিল্লুর রহমান ও সৈয়দ আশরাফসহ নিবেদিত প্রাণ নেতারা সেই পরিস্থিতি মোকাবেলা করেছেন দক্ষতার সঙ্গে।

শেখ হাসিনা যখন জেলে তখন এই দু’জনই দলকে সংগঠিত করে রেখেছেন।

এরপর  ২০০৯ সালের জুলাই মাসে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিলে প্রথম বারের মতো দলের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন সৈয়দ আশলাফুল ইসলাম। ২০১২ সালের ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের সর্বশেষ জাতীয় কাউন্সিলে তাকে দ্বিতীয় বারের জন্য এই পদে বহাল রাখা হয়।

১৯৯২ সালে আওয়ামী লীগের তৎকালীন প্রেসিডিয়াম সদস্য জিল্লুর রহমানকে দলের সাধারণ সম্পাদক এবং ২০০০ সালে দলের তৎকালীন প্রেসিডিয়াম সদস্য আব্দুল জলিলকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়।

গত ১১ জানুয়ারি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সমাবেশ এবং তারপরদিন গণভবনে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের বৈঠক থেকে  ২৮ মার্চ দলের জাতীয় কাউন্সিলের তারিখ ঘোষণা করার পর থেকিই চলছে সাধারণ সম্পাদক নিয়ে গুঞ্জন।