Search
Tuesday 24 October 2017
  • :
  • :
English Version

‘আসল বিএনপি’র পাল্টা কাউন্সিল ঘোষণা

‘আসল বিএনপি’র পাল্টা কাউন্সিল ঘোষণা

Sharing is caring!

পাল্টা কাউন্সিল ঘোষণা ‘আসল বিএনপি’র

আগামী মার্চে অনুষ্ঠেয় বিএনপির কাউন্সিলকে ‘ব্যক্তি বিশেষের ডাকা ও নকল কাউন্সিল’ হিসেবে উল্লেখ করে ‘অর্থবহ’ কাউন্সিল করার ঘোষণা দিলেন দলটির পুনর্গঠনের মুখপাত্র দাবিদার কামরুল হাসান নাসিম। তবে কাউন্সিলের সুনির্দিষ্ট কোনো তারিখ ঘোষণা করেননি তিনি।

নাসিম বলেন, ‘বিএনপিতে অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় দলীয় বিপ্লব সংগঠিত হবে। এর অংশ হিসেবে জাতীয়তাবাদী জনতার নিম্ন আদালত’র রায় অনুযায়ী যেকোনো সময়ে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ‘জাতীয়তাবাদী জনতার উচ্চ আদালত’ বসবে। আর আদালত বসার পরই কেবল কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে।’

মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) গোলটেবিল মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন নাসিম।

বিএনপির পুনর্গঠন প্রসঙ্গে কামরুল হাসান নাসিম বলেন, ‘মা খালেদা জিয়া ও ভাই তারেক রহমানযুক্ত কিন্তু তাদের নেতৃত্বমুক্ত বিএনপি করতে হবে। দলে জিয়াউর রহমানের আদর্শ প্রতিষ্ঠায় যা করার দরকার তাই করা হবে।’

গত ২৬ নভেম্বর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ‘জাতীয়তাবাদী জনতার নিম্ন আদালত’ বসান কামরুল হাসান নাসিম। ওই আদালত থেকে দলীয় সংবিধান (গঠনতন্ত্র) স্থগিত এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ‘জাতীয়তাবাদী জনতার উচ্চ আদালত’ বসানোর জন্য রায় দেয়া হয়। সে অনুযায়ী, দুইবার চেষ্টা করেও বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে উচ্চ আদালত বসাতে ব্যর্থ হন নাসিম।

কাউন্সিল প্রসঙ্গে কামরুল হাসান নাসিম বলেন, ‘নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জাতীয়তাবাদী জনতার উচ্চ আদালত বসবেই। দলের পক্ষ থেকে আমি সেখানে বাদীর ভুমিকায় থাকতে চাইব। বিচারক হিসেবে থাকবেন বিএনপির গেল ২০ বছরের কাউন্সিলরেরা (৫০ হাজার থেকে ৫৫ হাজার)। তারা দলের নেতৃত্ব নির্ধারণ ও দলকে পুনর্গঠন করবেন। ওই আদালতের পরিক্রমা চলবে ৭ দিন ১৭ ঘণ্টা। এরপরে যদি বিচারকেরা (জনতা-কাউন্সিলর) দলের গঠনতন্ত্র স্থগিত করার নিম্ন আদালতের রায় বহাল রাখেন, তবে এরপর নির্বাচন কমিশন ঘোষিত দলের গঠনতন্ত্র স্থগিত করার পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে অর্থবহ কাউন্সিল করা হবে।’

এ প্রসঙ্গে তিনি আরো বলেন, ‘বিএনপির পক্ষ থেকে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সারা দেশের কাউন্সিলরদের (গেল ২০ বছরের) কাছে চিঠি যাবে। আর দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে যখন উচ্চ আদালত বসবে, তখন ৭ দিনের মধ্যে সকল কাউন্সিলর ঢাকায় আসবেন।’

কামরুল হাসান নাসিম নিজেকে বিএনপি পুনর্গঠনের মুখপাত্র দাবি করলেও সংবাদ সম্মেলনে দলটির কোনো পর্যায়ের কোনো নেতাকর্মীকে দেখা যায়নি।